অনলাইন গেমিং বিনোদনের একটি উপায়, কিন্তু এটি কখনো জীবনের চেয়ে বড় হওয়া উচিত নয়। 66ss বিশ্বাস করে প্রতিটি খেলোয়াড়ের মানসিক ও আর্থিক সুস্থতা সবার আগে। এই পেজে আমরা জানাচ্ছি কীভাবে আপনি নিরাপদে এবং দায়িত্বের সাথে গেম উপভোগ করতে পারেন।
66ss আপনার নিরাপত্তায় যেসব সরঞ্জাম ও ব্যবস্থা প্রদান করে।
নিজেকে সাময়িক বা দীর্ঘমেয়াদে প্ল্যাটফর্ম থেকে বাদ দেওয়ার সুবিধা। ৩০ দিন থেকে শুরু করে স্থায়ীভাবে অ্যাকাউন্ট বন্ধ রাখতে পারবেন।
দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক জমার সীমা নিজেই নির্ধারণ করুন। একবার সীমা নির্ধারিত হলে সেটি কমানো তাৎক্ষণিক, কিন্তু বাড়াতে ৭ দিন অপেক্ষা করতে হবে।
মাথা ঠান্ডা করতে ২৪ ঘণ্টা থেকে ৬ সপ্তাহের বিরতি নিন। টাইম-আউট চলাকালীন অ্যাকাউন্টে লগইন করা যাবে না।
প্রতিটি সেশনে বা নির্দিষ্ট সময়ে কতটুকু বাজি রাখতে পারবেন তার সর্বোচ্চ সীমা আপনি নিজেই ঠিক করতে পারবেন।
নির্ধারিত সময় পর পর পপ-আপ বিজ্ঞপ্তি পাবেন — কতক্ষণ খেলেছেন, কত টাকা খরচ হয়েছে তার সারসংক্ষেপ দেখাবে।
যেকোনো সময় সমস্যা অনুভব করলে আমাদের সাপোর্ট টিম সাহায্যের জন্য প্রস্তুত। ইমেইলে যোগাযোগ করুন এবং আমরা দ্রুত সাড়া দেব।
66ss দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে অনলাইন গেমিং কেবলমাত্র প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য — অর্থাৎ যাদের বয়স ১৮ বছর বা তার বেশি। এটি কোনো ঐচ্ছিক নীতি নয়, এটি আমাদের প্ল্যাটফর্মের মূল ভিত্তি। আমরা বাংলাদেশের প্রতিটি পরিবারের সুস্থতার কথা মাথায় রেখে এই নিয়ম কঠোরভাবে প্রয়োগ করি।
নিবন্ধনের সময় আমরা বয়স যাচাই করি। যদি কোনো অ্যাকাউন্টধারী অপ্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে চিহ্নিত হন, তাহলে তার অ্যাকাউন্ট তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করা হয় এবং কোনো অর্থ ফেরত দেওয়া হয় না। আপনার বাড়িতে কোনো শিশু বা কিশোর যাতে এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার না করে, সে বিষয়ে আপনাকেও সজাগ থাকতে হবে।
সতর্কতা: আপনার মোবাইল বা কম্পিউটার অন্য কেউ ব্যবহার করলে সর্বদা লগআউট করুন। অপ্রাপ্তবয়স্কদের হাতের নাগালে লগইন তথ্য রাখবেন না।
গেমিং একটি বিনোদন মাত্র। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট বা বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্তের খেলোয়াড়রা আমাদের প্ল্যাটফর্মে আসেন আনন্দের জন্য। আমরা চাই তারা সবসময় হাসিমুখে বাড়ি ফিরুক। তাই 66ss-এ প্রতিটি সুবিধা পরিকল্পিতভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে কেউ প্রয়োজনের বেশি সময় বা অর্থ ব্যয় না করেন।
দায়িত্বশীল খেলার অর্থ হলো — কতটুকু খেলবেন আগে থেকেই ঠিক করুন, বাজেট নির্ধারণ করুন এবং সেই সীমা কখনো অতিক্রম করবেন না। জয় হলে আনন্দ করুন, হার হলে মেনে নিন — এটাই সুস্থ গেমিং সংস্কৃতি।
বাজেট আগেই ঠিক করুন। কতটুকু অর্থ খরচ করতে পারবেন তা আগে থেকে নির্ধারণ করুন এবং সেটুকুই জমা দিন।
সময়সীমা মেনে চলুন। প্রতিদিন কত সময় খেলবেন তা ঠিক করুন। অ্যালার্ম ব্যবহার করুন।
বিনোদনের জন্য খেলুন। গেমিং আয়ের পথ নয়, এটি আনন্দের মাধ্যম। এই মনোভাব বজায় রাখুন।
হার মেনে থামুন। পরপর হার হলে খেলা বন্ধ করুন। হার পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টায় আরও ক্ষতি হয়।
বিরতি নিন। দীর্ঘক্ষণ খেললে ক্লান্তি বিচারশক্তি নষ্ট করে। ঘন ঘন বিরতি নিন।
ধার করে খেলবেন না। অন্যের টাকা বা ঋণ নিয়ে গেমিং একটি গুরুতর সমস্যার লক্ষণ।
আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে সহজেই এই সুবিধাগুলো চালু করতে পারবেন।
অ্যাকাউন্ট সেটিংসে গিয়ে "স্ব-বর্জন" অপশন বেছে নিন। ৩০ দিন, ৩ মাস, ৬ মাস বা স্থায়ী — যেকোনো মেয়াদ বেছে নিন। স্থায়ী বর্জন প্রত্যাহার করা যাবে না।
প্রোফাইল সেটিংসে "জমার সীমা" বিভাগে দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক সীমা আলাদাভাবে নির্ধারণ করুন। সীমা একবার নামানো তাৎক্ষণিক কার্যকর।
সাময়িক বিরতি নিতে "টাইম-আউট" অপশন বেছে নিন। ২৪ ঘণ্টা থেকে ৬ সপ্তাহ পর্যন্ত লগইন বন্ধ থাকবে। এই সময়ে কোনো বিজ্ঞপ্তিও পাবেন না।
প্রতি ৩০, ৬০ বা ৯০ মিনিটে পপ-আপ বিজ্ঞপ্তি পেতে রিয়েলিটি চেক চালু করুন। এই বিজ্ঞপ্তিটি আপনাকে কতক্ষণ ধরে খেলছেন মনে করিয়ে দেবে।
66ss-এ আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করুন এবং উপরের ডানদিকে প্রোফাইল আইকনে ক্লিক করুন।
মেনু থেকে "অ্যাকাউন্ট সেটিংস" এবং তারপর "দায়িত্বশীল গেমিং" বিভাগটি খুলুন।
আপনার প্রয়োজনমতো স্ব-বর্জন, জমার সীমা বা টাইম-আউটের মেয়াদ নির্বাচন করুন।
নির্বাচন নিশ্চিত করুন। কিছু সেটিং তাৎক্ষণিক কার্যকর হয়, কিছু ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রযোজ্য হয়।
গেমিং কি আপনার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে মনে হচ্ছে? আপনি একা নন। অনেক মানুষ এই সমস্যায় পড়েন এবং সঠিক সহায়তায় সুস্থ হয়ে ওঠেন। নিজেকে সাহায্য করার প্রথম পদক্ষেপ হলো স্বীকার করা যে সমস্যা আছে।
66ss-এর সাপোর্ট টিম বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী ২৪ ঘণ্টা ৭ দিন প্রস্তুত। আমাদের দলে অভিজ্ঞ পরামর্শদাতারা আছেন যারা আপনার কথা গোপনীয়তার সাথে শুনবেন।
নিচের কোনো লক্ষণ যদি আপনার মধ্যে দেখা দেয়, তাহলে এখনই থামুন এবং সাহায্য নিন।
বাজি হেরে যাওয়া অর্থ ফেরত পেতে আরও বেশি বাজি ধরা।
গেমিংয়ের কথা পরিবার বা বন্ধুদের কাছে গোপন রাখা।
খেলা থামাতে বললে বিরক্তি বা রাগ অনুভব করা।
ঘুম, খাওয়া বা পরিবারের সাথে সময় কমিয়ে গেমিং বাড়ানো।
গেমিংয়ের জন্য ধার বা ঋণ নেওয়া।
নিজের বা পরিবারের প্রয়োজনীয় খরচের টাকা গেমিংয়ে ব্যবহার করা।
গেমিং বন্ধ রাখার চেষ্টা বারবার ব্যর্থ হওয়া।
গেম না খেলতে পারলে অস্থিরতা বা হতাশা অনুভব করা।
এই প্রশ্নগুলো সৎভাবে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন। যদি বেশিরভাগের উত্তর "হ্যাঁ" হয়, তাহলে সহায়তা নিন।
আপনি কি নির্ধারিত বাজেটের বেশি ঘন ঘন খরচ করে ফেলেন?
আপনি কি কাজ বা পরিবারের দায়িত্ব ফেলে গেমিং করেছেন?
গেমিং নিয়ে কি প্রিয়জনের সাথে কখনো ঝগড়া হয়েছে?
মন খারাপ বা চাপে থাকলে কি গেমিং দিয়ে ভুলে থাকার চেষ্টা করেন?
আপনি কি কখনো ভেবেছেন গেমিং আপনার জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে?
যদি উপরের যেকোনো প্রশ্নের উত্তর "হ্যাঁ" হয়, তাহলে দেরি না করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন অথবা নিজে স্ব-বর্জন চালু করুন।